মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় । একটি বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা

মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় 1024x576
মনের কুচিন্তা দূর করার উপায়



সূচীপত্রঃঅনেকের মন বেশিরভাগ সময়ে খারাপ চিন্তায় ডুবে থাকেন বলে মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় খুঁজে থাকেন গোপনে । কারণ প্রকাশ্যে মনের কুচিন্তার কথা সবাইকে বলা যায় না। আর কুচিন্তা আশাটা স্বাভাবিক । তবে প্রতিনিয়ত যদি কুচিন্তায় ডুবে থাকে তাহলে স্বাভাবিক জীবন যাপনে বিঘ্ন ঘঠতে পারে । 

কুচিন্তা থেক মুক্তি পাওয়ার কথা মাথায় রেখে আমরা আজকের আর্টিকেল সাজিয়েছি । সাথে থাকছে মনের কুচিন্তা দূর করার দোয়া, মনের কুচিন্তা দূর করার অভ্যাস গঠন, মনের কুচিন্তা দূর করতে যোগ ব্যায়াম, মনের কুচিন্তা দূর করার জন্যে মেডিটেশন, মনের কুচিন্তা দূর করতে ধর্মীয় কাজ ।


আরো থাকছে মনের কুচিন্তা দূর করতে সঙ্গ পরিবর্তন এবং সবশেষে থাকছে মনের কুচিন্তা দূর করতে পছন্দের কাজ গুলি কি কি । অর্থাৎ মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় নিয়ে সবদিক বিবেচনা করেই আজকে আলোচনা থাকছে তাই, আশা করি সুন্দর এবং গঠন মূলক কিছু কথা উপহার দেওয়ার চেষ্টায় থাকবো । সাথেই থাকুন ।

মনের কুচিন্তা দূর করার অভ্যাস গঠন


স্বাভাবিক জীবন যাপনে মনের গতি নিয়ন্ত্রন করা বাধ্যতা মুলক । কারন আমাদের জীবন চলে মনের গতির উপর নির্ভর করে । মন সর্বদা যদি মন্দ চিন্তায় ডুবে থাকে তাহলে অনেক স্বভাবিক কাজও করতে অসুবিধা ভোগ করতে হয় ।


তাই মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় হিসেবে আমাদের কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস গঠন করার দরকার । তার মধ্যে হচ্ছে নেগেটিভ চিন্তা বাদ দেওয়া বা নেগেটিভ চিন্তা দূর করার উপায় গুলি খুঁজে বের করা ।


সুচিন্তা করার অভ্যাস গঠন করতে আপনাকে নিজের জীবন নিয়ে মগ্ন থাকার অভ্যাস করতে হবে । সারাদিন আপনি কি করেছেন । কি কি ভালো কাজ করছেন এবং কি কি মন্দ কাজ করেছেন তার একটি হিসাব প্রতিদিনের ডায়রিতে লিপিবদ্ধ করুন ।


রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সেই ডায়রিটি একবার খুলে নিজেকে বিচার করুন । এতে করে নিজেকে বিচার করার ভালো ক্ষমতা তৈরি হবে এবং সাথে কুচিন্তা মনে আশার সুযোগ পাবে না।


বাস্তব জীবনে বেশিরভাগ সময় আমাদের কুচিন্তা বা দুশ্চিন্তা ভর করে নিজেকে বিচার না করার কারনে । নিজেকে বিচার করার মূল্যবোধ যখন সৃষ্টি হবে তখন আপনার জীবন নিয়ে সুন্দর একটি হিসাব নিকাশ করতে পারবেন এবং সঠিকভাবে জীবন গঠন করতে পারবেন সাথে মনের কুচিন্তা গুলিও বিদায় নেবে ।


এছাড়াও আরো কিছু অভ্যাস রয়েছে মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় হিসেবে । তারমধ্যে প্রত্যেকদিন বাইরে বের হলে মানুষের দুঃখ কষ্টগুলি একটু পরিলক্ষিত এবং অনুভব করুন ।এতে করে আপনার জীবনের অনেক নেগেটিভ ভাবনা চিন্তা অনায়াসে দূর হয়ে যাবে ।


আমরা ধীরে ধীরে মনের কুচিন্তা দূর করার জন্যে আপনার ভালো লাগে এই প্রকার আরো কিছু আলোচনা করার চেষ্টা করবো ।

মনের কুচিন্তা দূর করতে যোগ ব্যায়াম


যোগ ব্যায়াম শুধু মানুষের শরীরের মধ্যেই প্রভাব ফেলে না, মনের মধ্যেও অধিকতর প্রভাব তৈরি করে । তাই মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় হিসেবে যোগ ব্যায়াম হতে পারে আপনার জীবনের জন্যে একটি উপযুক্ত হাতিয়ার ।  


মনের নেগেটিভ চিন্তা দুরিকরনে আমরা কিছু যোগ ব্যায়ামের ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করছি তাই আমাদেরকে ফলো করুন । যেমন আপনি চাইলে শ্বাস-প্রশ্বাসের মত ব্যায়াম বা প্রানায়াম করতে পারেন যা আপনার মনকে শান্ত করতে এবং কুচিন্তা দূর করতে অধিক পরিমানে সহায়তা করবে । 


আবার কিছু যোগ ব্যায়াম রয়েছে, যা আপনার মনকে স্থির করতে এবং মন্দ চিন্তা থেকে দূরে রাখতে খুবই কার্যকরী । যেমন সুখাসন, শবাসন এবং ফরোয়ার্ড ফোল্ড । সুখাসনকে সহজ ভঙ্গি ও বলা হয় । সুখাসন মনের দুশ্চিন্তা কমানোর উপায় হিসেবে কাজ করে । আপনারা চাইলে সুখাসনের বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করতে পারেন ।


এই আসনটি করার জন্যে আপনাকে সহজ ভাবে বাম পা বা ডান পা অন্ডকোষের নিচে দিয়ে অন্য পা নিচে দেওয়া পায়ের থোরের উপর করে রাখতে হবে আপনার সুবিধা মত । সাথে মেরুদন্ড সোজা করে বসে একদম রিলেক্স মুডে নিজেকে কিছুক্ষন রাখুন । এই আসনটি দৈনিক পাঁচ মিনিট করে করতে পারেন । 


শবাসন ও হচ্ছে একদম সোজা শুয়ে থাকা যেন মেরুদন্ড নিচের সাথে সোজা হয়ে লেপ্টে থাকে এবং হাত গুলি নিচে সোজা করে রাখতে হবে । শব শব্দের অর্থ হচ্ছে মৃত অর্থাৎ মৃত মানুষের মত হয়ে শুয়ে এই যোগ ব্যায়াম দৈনিক ৫ থেকে ১০ মিনিট করার অভ্যাস করুন । এতে করে মনের কুচিন্তার অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে এবং শরীর ও সুস্থ থাকবে । 


মনের কুচিন্তা দূর করার জন্যে মেডিটেশন


মেডিটেশন বা ধ্যান হলো মানুষের মনের সর্বপ্রকারের খারাপ চিন্তা দূর করার একটি বিশ্বনন্দিত পদ্ধতি। এই পদ্ধতি সারাবিশ্বের প্রায় মানুষেরা করে থাকে । মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় হিসেবে মেডিটেশন আপনার জন্যেও হতে পারে একটি সুন্দর উদাহরন । এটি একপ্রকার মনের চিকিৎসা ও বলা যায় ।


অনেকে মেডিটেশনের চেয়ে ও মনের কষ্ট দূর করার জন্যে গান শুনে থাকে । কারন অনেকে  জানেনা যে মেডিটেশন কিভাবে করতে হয় বা মেডিটেশন আদৌ কি ? হ্যা আমরা আপনাকে সুন্দরভাবে মেডিটেশন করার পদ্ধতিগুলি দেখিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব যাতে করে সহজে আপনার মনের কুচিন্তা দূর করতে সহজ হয়ে যায় । তাহলে দেরি না করে চলুন এগিয়ে যাওয়া যাক । 


প্রথমে আপনাকে একটি সমতল জায়গায় সুন্দরভাবে মেরুদন্ড সোজা করে বসতে হবে আপনার সুবিধা মত । হ্যা তবে মেরুদন্ড যেন বাকা না হয় সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে ।


এবার চোখ বন্ধ করে দুই ভ্রুর মাঝখান বরাবর খেয়াল রাখতে হবে । হ্যা অবশ্যই আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের গতি যেন ক্ষিন হয়ে আসে সেদিকে ভালো করে লক্ষ্য রাখুন । এইভাবে ৫ বা ১০ মিনিট করে ধ্যানের অভ্যাস করুন ।


এর সাথে চিন্তা করুন আপনি কেন জীবন লাভ করেছেন এবং কি কাজ করছেন । কিচিন্তায় আপার জীবন অতিবাহিত করছেন । নিজেকে প্রশ্ন করার অভ্যাস করুন ।


ধীরে ধীরে ক্রমান্বয়ে দিনে দিনে এই অভ্যাস বৃদ্ধি করার চেষ্টা যেন অভ্যাহত থাকে । কিছুদিন অভ্যাস করলে দেখবেন আপনার মনের কুচিন্তা দূর হওয়া তো স্বাভাবিক হবেই, এর সাথে মনের মধ্যে এক অফুরন্ত মানসিক শক্তি তৈরি হবে । আপনার নতুন করে মানসিক শান্তির খোঁজ পাবেন ।

মনের কুচিন্তা দূর করতে ধর্মীয় কাজ


অনেকে মনের কুচিন্তা নিভৃত করার জন্যে ধর্মীয় কাজে যোগ দেন । এটি অবশ্যই একটি ভালো দিক, মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় হিসেবে । আবার অনেকে আছে যে মনে মনে খারাপ চিন্তা করলে কি গুনাহ হবে কিনা এই অবস্থায় দ্বন্ধে থাকেন । আমি মনে করি এটিও একটি ভালো চিন্তা যে, প্রভুর উপর ভরসা বা বিশ্বাস করা ।


তবে শুধু এভাবে হিনমন্যতায় ভুগলে চলবে না । মাথা থেকে বাজে চিন্তা দূর করার উপায় হিসেবে ধর্মীয় কাজে নিজেকে অন্তরভোক্ত করতে হবে । যেমন প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা । আবার যারা সনাতন ধর্মীয় রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে নিত্যদিন প্রার্থনায় যোগ দেওয়া।


প্রভুর প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে গরীব দুঃখী মানুষের সহায়তার জন্যে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা ও তৈরি করতে হবে । আপনি চাইলে মন্দির অথবা মসজিদে গিয়ে সেবা করতে পারেন । প্র্ত্যেক মানুষের নামাজের বা প্রার্থনার স্থান মার্জনা করতে পারেন ।


এককথায় নিজেকে পরোপকারে বিলিয়ে দিতে পারেন । এতে করে নিজের মনের কুচিন্তা ও দূর হবে এবং একটি সুন্দর নবজীবন লাভ করবেন । যে জীবনে আপনি নিজেকে নতুন রুপে খুঁজে পাবেন । এভাবে মনের কুচিন্তা সহজে দূর করতে পারেন ।


তবে মনে রাখবেন সব সময় পরের উপকারের পাশাপাশি সুন্দর কিছু চিন্তা করার অভ্যাস গঠন করতে হবে । যে কোন কাজ করতে গেলে নিজেকে মনে করতে হবে আমি সব কাজ আমার প্রভুর জন্যে করছি । এইভাব আপনার মনকে অনায়াসে কুচিন্তা থেকে দূরে রাখবে ।

মনের কুচিন্তা দূর করার দোয়া


আমরা যারা ধর্মভীরু মানুষ আছি তারা সবসময় মনের মধ্যে কুচিন্তা ভর করলেই দোয়া দরুত পড়তে থাকি । অথবা চিন্তা দূর করার উপায় হিসেবে ওয়াজ শুনতে থাকি । অর্থাৎ আমরা মনে করি দোয়া পড়লে বা ওয়াজ শুনলে মনের কুচিন্তা দূর হয়ে যাবে ।


হ্যা এই কথা সত্য । তবে এই কথাও মনে রাখতে হবে যে, দোয়া পড়ার সাথে সাথে মনের কুচিন্তা গুলিও যেন আমি বাদ দেওয়ার চিন্তা করি ।


কারন আমাদের অবচেতন মনে, কুচিন্তা গুলি এসে যাই । তবে যারা সবসময় সুন্দর চিন্তা করে বা সৎ মানসিকতা নিয়ে চলে তাদের মধ্যে কুচিন্তাগুলি তেমন আসে না । এই কুচিন্তাগুলি হল আপনার চেতনার উপর নির্ভর করে ।


তবে আমরা মনের কুচিন্তা দূর করার দোয়া নিয়ে নিচে দেওয়ার চেষ্টা করছি আপনারা চাইলে এই দোয়া পাঠ করতে পারেন । সাথে মনকে সর্বদা শান্ত রাখার চেষ্টা যেন অভ্যাহত থাকে ।


” আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুজনি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আজজি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল জুবনি ওয়াল বুখলি, ওয়া আউজুবিকা মিন গলাবাতিদ দাইনি ওয়া কহরির রিজাল। “


 অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা থেকে আশ্রয় চাই।

মনের কুচিন্তা দূর করতে সঙ্গ পরিবর্তন


আপনি জানেন কি মনের কুচিন্তা দূর করার ঔষধ কোথাও নেই ? হ্যা এইটা সত্যি যে আপনার মনের গতিবিধি আপনাকেই পরিবর্তন করতে হবে । একটা গান আছে, চিন্তা সম নাহি ব্যাধি, চিন্তা রোগের নাই ঔষধী । মনে কুচিন্তা দূর করার জন্যে আপনার সঙ্গ পরিবর্তন করা অত্যান্ত প্রয়োজন । কারন সঙ্গ গুনে মানুষের মনের পরিবর্তন হয় ।


আমরা স্বাভাবিকভাবে যাদের সাথে সঙ্গ করি বা চলাফেরা করি, একবার ও চিন্তা করেছি তার কাছ থেকে আমি কি শিখছি ? যদি আপনার বন্ধু বা বান্ধবী যাদের সাথে আপনি চলা ফেরা করছেন তার মন্দ স্বভাবগুলি কি আপনার ভিতরে প্রভাবিত হয়েছে ? একবার ও কি প্রশ্ন করেছেন নিজেকে ।


মনোবিদ বিশেষজ্ঞ্ররা বলেন, মানুষেরা বেশিরভাগ সময় যাদের সাথে মেলামেশা করেন তাদের গুন গুলি বন্ধু বা সঙ্গীর মধ্যে বেশিরভাগ প্রভাবিত হয় । তাহলে ভাবুন আপনার মনে যদি কুচিন্তার ভাব আসে তাহলে সেইচিন্তা কি আপনার বন্ধু বা চলার সঙ্গীর কাছ থেকে এসেছে ?


আর যদি এইরকম অবস্থা হয় তাহলে এক্ষুনি মনের কুচিন্তা দূর করতে সেই সঙ্গ পরিত্যাগ করা দরকার । আমি বলছি না আপনার বন্ধু নোংরা চিন্তা করছেন আপনিও সেই চিন্তায় মগ্ন থাকুন।হ্যা আপনি চাইলে আপনার সাথীর বা বন্ধুর পরিবর্তন করতে পারেন বা সচিন্তা এবং কুচিন্তার মুল্যবোধ শিখাতে পারেন ।


অর্থাৎ নিজেকে সুন্দর চিন্তায় মগ্ন থাকতে হলে বা জীবনকে সুন্দরভাবে গঠন করতে হলে একজন ভালো বন্ধু বা সুচিন্তাকারী বন্ধু মানুষের জীবনের জন্যে অত্যান্ত প্রয়োজন  ।

মনের কুচিন্তা দূর করতে পছন্দের কাজ


আপনি যদি সবসময় পজিটিভ চিন্তা করার উপায় না খোঁজেন, বা না জানেন তাহলে আপনার মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় ও খোঁজে পাবেন বলে আমার মনে হয় না । মনের সুন্দর্য্য যদি চেনার চেষ্টা করেন তাহলে পছন্দের মত কাজগুলি খোঁজে নিন ।


কারন মানুষের পছন্দের কাজগুলি করার সময় মানুষের মনে কোন কুচিন্তা ভর করতে পারেনা । আমরা কি একবার ও চিন্তা করে দেখেছি আমাদের মধ্যে খারাপ চিন্তা কেন আসে ? খারাপ চিন্তা আসে কাজে ভালোবাসা থাকেনা বলে বা আমি যে কাজটি করছি সেটা হয়ত আমার পছন্দের মত নয় । 


বিজ্ঞান বলছে মানুষের মনের মত বা পছন্দের মত কাজ পেলে তার মনে আর কোন কুচিন্তা বাসা বাঁধতে পারে না । তাই আমি মনে, করি মনের কুচিন্তা দূর করতে পছন্দসই কাজ গুলি খোঁজে নেওয়ার দরকার । এতে করে সহজে মনের কুচিন্তা দূর হয়ে যাবে এবং মন কুচিন্তা করার সুযোগ পাবে না ।

মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় নিয়ে লেখকের শেষ কথা


মনের উপর নির্ভরশীল বলেই, মন নিয়ে এত চিন্তায় থাকতে হয় । মনের কুচিন্তা দূর করার উপায় নিয়ে আমরা অনেকগুলি পয়েন্ট আকারে বলার চেষ্টা করেছি ।আমাদের ধারনা এই আর্টিকেল আপনার মনের উপর প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে যারা কুচিন্তায় ভুগছেন তাদের জন্যে । তাই পরিশেষে এইটায় বলবো যে, কুচিন্তা থেকে মুক্তি পেতে ভালো করে যোগ ব্যায়াম এবং মেডিটেশনের অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সুস্থ মানসিকতার জীবন তৈরি করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *